সব খবর সবার আগে
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

জাতীয়

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ফলাফলে নির্বাচিত হলেন যারা

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোট গণনা শেষে বেসরকারিভাবে ফলাফল ঘোষণা করছেন। ফলাফলে প্রধানমন্ত্রী, জাতীয় সংসদের উপনেতা মতিয়া চৌধুরী, পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান এবং বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি নিজ নিজ আসনে জয়ী হয়েছেন। ইতিমধ্যে তাদের বেসরকারিভাবে নির্বাচিত ঘোষণা করা হয়েছে। তবে বীর মুক্তিযোদ্ধা কাদের সিদ্দিকী , মশিউর রহমান রাঙা, শমসের মবিন চৌধুরী, শাহীন চাকলাদার হেরে গেছেন। এবার জেনে নিন কে কোন আসনে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন।

0 23

গোপালগঞ্জ–৩ আসনে ২ লাখ ৪৯ হাজার ৯৬৫ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগের সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টির একতারা প্রতীকের প্রার্থী এম নিজামউদ্দিন লস্কর পেয়েছেন ৪৬৯ ভোট।

নোয়াখালী–৫ (কোম্পানীগঞ্জ–কবিরহাট) আসনে বিপুল ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হয়েছেন ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

চট্টগ্রাম-৭ (রাঙ্গুনিয়া ও বোয়ালখালী আংশিক) আসনে টানা চতুর্থবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী হাছান মাহমুদ। তিনি এই আসন থেকে এক লাখ ৯৮ হাজার ৯৭৬ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ইসলামী ফ্রন্টের প্রার্থী মুহাম্মদ ইকবাল হাছান (মোমবাতি) পেয়েছেন ৯ হাজার ৩০১ ভোট।

রংপুর–৪ (কাউনিয়া–পীরগাছা) আসনে বেসরকারিভাবে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশিকে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়েছে।

সুনামগঞ্জ–৩ (জগন্নাথপুর–শান্তিগঞ্জ) আসনে বড় ভোটের ব্যবধানে টানা চতুর্থবারের মতো বিজয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগ মনোনীত পরিকল্পনা মন্ত্রী এমএ মান্নান।

দিনাজপুর–৪ আসনে চতুর্থ বারের মতো বিজয়ী হলেন আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাহমুদ আলী।

রাজশাহী–২ (সদর) নৌকা প্রতীকে ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক ফজলে হোসেন বাদশাকে হারালেন স্বতন্ত্র প্রার্থী আওয়ামী লীগ নেতা অধ্যক্ষ শফিকুর রহমান বাদশা।

ঢাকা–২০ আসনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী বেনজির আহমেদকে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত ঘোষণা করা হয়েছে।

দিনাজপুর–২ আসনে বেসরকারি ফলাফলে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী।

রাজবাড়ী–১ আসনে আওয়ামী লীগ মনোনীত কাজী কেরামত আলীকে (নৌকা) বেসরকারিভাবে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়েছে।

রাজবাড়ী–২ আসনে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগ মনোনীত মো. জিল্লুল হাকিম (নৌকা)।

পটুয়াখালী–৩ (গলাচিপা–দশমিনা) আসনে আওয়ামী লীগ মনোনীত এসএম শাহজাদাকে বেসরকারিভাবে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়েছে।

সিলেট ৪ আসনে নৌকা প্রতীকে দুই লাখ পাঁচ হাজার আটশো আটানব্বই ভোট পেয়ে ৭ম বারের মত বিজয়ী হয়েছেন ইমরান আহমদ।

ঢাকা ১ আসনে নৌকা প্রতীক মার্কা সালমান এফ রহমান ১ লাখ ৪৯ হাজার ৯৭১ ভোট পেয়ে বেসরকারি ভাবে নির্বাচিত হয়েছেন৷ নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী

লাঙ্গল প্রতীক মার্কা সালমা ইসলাম ৩৪ হাজার ৭৪৬ পেয়েছেন।

পটুয়াখালী–৪ (কলাপাড়া–রাঙ্গাবালী) আসনে আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকা প্রতীকের প্রার্থী মো. মহিববুর রহমানকে বেসরকারিভাবে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়েছে।

পটুয়াখালী–১ (সদর–মির্জাগঞ্জ–দুমকী) আসনে জাতীয় পার্টির (জাপা) কো–চেয়ারম্যান এবিএম রুহুল আমিন হাওলাদার লাঙ্গল প্রতীকে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন।

বরিশাল–২ (বানারীপাড়া–উজিরপুর) আসনে নৌকা প্রতীকে ১ লাখ ২২ হাজার ১৭৫ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন ১৪ দলীয় জোটের প্রার্থী বাংলাদেশ ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি ও সাবেক মন্ত্রী রাশেদ খান মেনন। ৬ষ্ঠ বারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হলেন তিনি।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ–৩ আসনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী নৌকা প্রতীকের আব্দুল ওদুদকে বেসরকারিভাবে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়েছে।

নাটোর–২ (সদর–নলডাঙ্গা) আসনে বেসরকারিভাবে বিজয়ী আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী শফিকুল ইসলাম শিমুল।

নাটোর–৩ (সিংড়া) আসনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলককে বেসরকারিভাবে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়েছে।

নাটোর–১ (লালপুর–বাগাতিপাড়া) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী ঈগল প্রতীকের আবুল কালাম আজাদকে বেসরকারিভাবে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়েছে।

রংপুর–৩ (সদর ও সিটি করপোরেশন) আসনে এবারের নির্বাচনে একমাত্র তৃতীয় লিঙ্গের প্রার্থী আনোয়ারা ইসলাম রানিকে বড় ব্যবধানে হারিয়েছেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদের।

চাঁদপুর–১ (কচুয়া) আসনে নৌকা প্রতীকের ড. সেলিম মাহমুদকে বেসরকারিভাবে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়েছে।

মৌলভীবাজার–৪ আসনে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী মো. আব্দুস শহিদ।

শেরপুর–২ আসনে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী সাবেক কৃষিমন্ত্রী বেগম মতিয়া চৌধুরী। ষষ্ঠবারের মতো সংসদ সদস্য হলেন তিনি।

শেরপুর–৩ আসনে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী এডিএম শহিদুল ইসলাম।

বান্দরবান (৩০০ নং) আসনে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকার প্রতীকের প্রার্থী বীর বাহাদুর উশৈসিং।

নীলফামারী-৪ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী সিদ্দিকুল আলম সিদ্দিক (প্রতীক–কাঁচি) বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন ৬৯ হাজার ৭১৪ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ট্রাক প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী মোখছেদুল মোমিন পেয়েছেন ৪৫ হাজার ৩০১। বর্তমান সংসদ সদস্য জাপা প্রার্থী ও সাবেক রাষ্ট্রপতি প্রয়াত এইচএম এরশাদের ভাগনে আহসান আদেলুর রহমান পেয়েছেন ৪১ হাজার ৩১৩ ভোট।

ঠাকুরগাঁও-৩ আসনে জাতীয় পার্টির প্রার্থী হাফিজ উদ্দিন আহম্মেদ (লাঙ্গল) ১ লাখ ৬ হাজার ৭১৪ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রার্থী ওয়ার্কার্স পার্টির গোপাল চন্দ্র রায় পেয়েছেন ৬৪ হাজার ৮২১ ভোট।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ (নাসিরনগর) আসনে বিএনপি থেকে বহিস্কৃত স্বতন্ত্রপ্রার্থী (কলার ছড়ি) সৈয়দ এ কে একরামুজ্জামান ৮৯ হাজার ৭৫৮ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী নৌকার প্রার্থী বর্তমান সংসদ সদস্য ৪৬ হাজার ৬৩৩ ভোট পেয়েছেন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল-আশুগঞ্জ) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. মঈন উদ্দিন (কলার ছড়ি) ৮৪ হাজার ৬৭ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে জয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী জিয়াউল হক মৃধা (ঈগল) পেয়েছেন ৫৫ হাজার ৪৩১ ভোট।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ (সদর ও বিজয়নগর) নৌকার প্রার্থী বর্তমান সংসদ সদস্য র আ ম উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী ১ লাখ ৫৮ হাজার ৫৭২ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী ফিরোজুর রহমান (কাঁচি) ৬৪ হাজার ৩৭ ভোট পেয়েছেন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ আসনে হ্যাট্রিক জয় পেলেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক। তিনি মোট ভোট পেয়েছেন ২ লাখ ২০ হাজার ৬৬৭টি। আনিসুল হকের নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ন্যাশনাল পিপলস পার্টির প্রার্থী শাহীন খান’ ভোট পেয়েছেন ৬৫৮৬। তিনি ‘আম’ প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করেন। ফুলের মালা’ প্রতীকে তরিকত ফেডারেশনের ছৈয়দ জাফরুল কুদ্দুছ পেয়েছেন ৪৫৭৪ ভোট। দুই উপজেলা নিয়ে গঠিত এই সংসদীয় আসনে গড় ভোট পড়েছে ৫৮.১৩ শতাংশ।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ (বাঞ্ছারামপুর) আসনে নৌকার প্রার্থী বর্তমান সংসদ সদস্য এ বি তাজুল ইসলাম ১ লাখ ৯২ হাজার ৯১৩ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী লাঙ্গল প্রতীকে আমজাদ হোসেন পেয়েছেন ২ হাজার ৬৬৬।

পটুয়াখালী -২ (বাউফল) আসনে আওয়ামী লীগের মনোনীত আ স ম ফিরোজ জয়ী হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ২৪ হাজার ৩০০। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জাতীয় পার্টির মো. মহসীন হাওলাদার পেয়েছেন ২ হাজার ৯৫৬।

ঝিনাইদহ-১ (শৈলকুপা) আসনে বেসরকারিভাবে জিতেছেন আওয়ামী লীগের প্রার্থী সাবেক প্রতিমন্ত্রী বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল হাই। তিনি ৯৫ হাজার ৬৭৪ ভোট পেয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি নজরুল ইসলাম পেয়েছেন ৭৯ হাজার ৭২৮ ভোট।

বরিশাল-১ আসন (গৌরনদী-আগৈলঝাড়া) আওয়ামী লীগের প্রার্থী আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ ১ লাখ ৭৬ হাজার ৭৭৭ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন । তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জাতীয় পার্টির প্রার্থী ছেরনিয়াবাত সেকেন্দার আলী পেয়েছেন ৪ হাজার ১২২ ভোট।

নীলফামারী-২ (সদর) আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী সংসদ সদস্য আসাদুজ্জামান নূর এক লাখ ১৯ হাজার ৩৩৯ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী জয়নাল আবেদীন পেয়েছেন ১৫ হাজার ৬৮৪ ভোট। আসাদুজ্জামান নূর এ নিয়ে টানা পঞ্চমবারের মতো নীলফামারী-২ আসনে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হলেন।

টাঙ্গাইল-৮ (সখীপুর-বাসাইল) আসনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী অনুপম শাহজাহান ৯৬ হাজার ৪০১ ভোটে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি কাদের সিদ্দিকী পেয়েছেন ৬৭ হাজার ৫০১ ভোট।

মেহেরপুর-১ ( সদর-মুজিবনগর) আসনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন বেসরকারিভাবে জয়লাভ করেছেন। তার প্রাপ্ত ভোট ৯৪ হাজার ৩০৩টি। ফরহাদ হোসেনের নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী আব্দুল মান্নান ৫৭ হাজার ৬৮২ ভোট পেয়েছেন ।

মেহেরপুর -২ (গাংনী) আসনে নৌকা প্রতীকের প্রার্থী আবু সালেহ মোহাম্মদ নাজমুল হক ৭২ হাজার ৭২৮ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে জয় পেয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী মকবুল হোসেন পেয়েছেন ৪৯ হাজার ৫৯৩ ভোট।

কুড়িগ্রাম-২ (সদর, রাজারহাট, ফুলবাড়ী) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. হামিদুল হক খন্দকার (ট্রাক) ৯৫ হাজার ৬০৯ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে জয়লাভ করেছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জাতীয় পার্টির প্রার্থী মো. পনির উদ্দিন আহমেদ পেয়েছেন ৩৬ হাজার ৯৪৮ ভোট।

রংপুর-১ (গংগাচড়া-সিটি আংশিক) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী আসাদুজ্জামান বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তিনি ৭৩ হাজার ৯২৭ ভোট পেয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী মসিউর রহমান (রাঙ্গা) পেয়েছেন ২৪ হাজার ৩৩২ ভোট।

পাবনা-১ আসনে আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীকের প্রার্থী বর্তমান সংসদ সদস্য ও ডেপুটি স্পিকার শামসুল হক টুকু বিজয়ী হয়েছে। তিনি পেয়েছেন ৯৪ হাজার ৩১৪ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী সাবেক তথ্য প্রতিমন্ত্রী আবু সাইয়িদ পেয়েছেন ৭২ হাজার ৩৮৭ ভোট।

টাঙ্গাইল-৭ (মির্জাপুর) আসনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী খান আহমেদ শুভ বিজয়ী হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন ৮৮ হাজার ৩৯৩ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মির্জাপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদ থেকে পদত্যাগকারী মীর এনায়েত হোসেন পেয়েছেন ৫৭ হাজার ২৩১ ভোট।

দিনাজপুর-৩ (সদর উপজেলা) আসনে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগের প্রার্থী ইকবালুর রহিম। তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৮ হাজার ২৫৪ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ট্রাক প্রতীকে স্বতন্ত্র প্রার্থী বিশ্বজিৎ ঘোষ পেয়েছেন ৫৪ হাজার ৩৮ভোট।

পাবনা-২ (সুজানগর- বেড়ার একাংশ) আসনে নৌকার প্রার্থী আহমেদ ফিরোজ কবির বিজয়ী হয়েছেন। ফিরোজ কবির ১ লাখ ৬৫ হজার ৮৪২ ভোট পেয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনএমের প্রার্থী ডলি সায়ন্তনী পেয়েছেন ৪ হাজার ৩৮২ ভোট।

সিলেট-৬ আসনে চমক দেখিয়ে ১৯ হাজার ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন নৌকা প্রতীকের আওয়ামী লীগের প্রার্থী সাবেক শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ। এ আসনে নাহিদ পেয়েছেন ৫৮ হাজার ১২৬ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ঈগল প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী সরওয়ার হোসেন পেয়েছেন ৩৯ হাজার ৩৮৭ ভোট। তৃতীয় অবস্থানে রয়েছেন তৃণমূল বিএনপির চেয়ারম্যান শমসের মবিন চৌধুরী। তিনি পেয়েছেন ১০ হাজার ৮৫৮ ভোট।

কিশোরগঞ্জ-৫ (নিকলী-বাজিতপুর) আসনের ফলাফলে টানা চতুর্থবারের মতো জয়ী হয়েছেন নৌকা প্রতীকের প্রার্থী আফজাল হোসেন। তিনি পেয়েছেন ৮৪ হাজার ৭৯৫ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ঈগল প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী সুব্রত পাল পেয়েছেন ৫৭ হাজার ৯০১ ভোট।

খুলনা-৫ আসনে নৌকার প্রার্থী নারায়ণ চন্দ্র বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন এক লাখ ১৩ হাজার ৪৮০ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ঈগল প্রতীকের প্রার্থী শেখ আকরাম হোসেন পেয়েছেন ৯৩ হাজার ১৫০ ভোট।

কিশোরগঞ্জ-৩ (করিমগঞ্জ-তাড়াইল) আসনে ৫৭ হাজার ৫৩০ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন জাতীয় পার্টির লাঙ্গল প্রতীকের মুজিবুল হক চুন্নু। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী কাঁচি প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী মেজর (অব) নাসিমুল হক পেয়েছেন ৪২ হাজার ২৩৫ ভোট।

বাগেরহাট-৩ (মোংলা-রামপাল) আসনে চতুর্থবারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রী হাবিবুন নাহার। এ আসন থেকে তিনি পেয়েছেন ৭৫ হাজার ৯৬৮ ভোট। আর তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ঈগল প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী ইদ্রিস আলী ইজারদার পেয়েছেন ৫৮ হাজার ২০৪ ভোট।

মেহেরপুর-২ আসনে বেসরকারি ফলাফলে জয়ী হয়েছেন নৌকা প্রতীকের প্রার্থী এস এম নাজমুল হক সাগর । তিনি ৭২৭২৮ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ট্রাক প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী মকবুল হোসেন পেয়েছেন ৪৯৫৯৩ ভোট।

কুড়িগ্রাম-১ আসনে বেসরকারি ফলাফলে জয়ী হয়েছেন জাতীয় পার্টির লাঙ্গল প্রতীকের প্রার্থী মোস্তাফিজুর রহমান। তিনি মোট ভোট পেয়েছেন ৮৮০২৩ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী জাকের পার্টির গোলাপ ফুল প্রতীকের প্রার্থী আব্দুল হাই সরকার। তিনি পেয়েছেন ৫৯৭৫৬ ভোট।

কুড়িগ্রাম-৩ আসনে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী সৌমেন্দ্র সেন গবা পান্ডে নৌকা প্রতীক নিয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি মোট ভোট পেয়েছেন ৫৩৩৬৭টি। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী ডা. মো. আক্কাস আলী ট্রাক প্রতীক পেয়েছেন ৩৫৫১৫ ভোট।

কুড়িগ্রাম-৪ আসনে বেসরকারিভাবে জয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী বিপ্লব হাসান পলাশ। তিনি ভোট পেয়েছেন ৮৬৬৫৮। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী মুজিবুর রহমান বঙ্গবাসী ঈগল প্রতীকে পেয়েছেন ১২৬৮৪ ভোট। দুপুরের পর অনিয়মের অভিযোগ এনে ভোট বর্জন করেন তিনি।

চট্টগ্রাম-১ (মিরসরাই) আসনে বেসরকারি ফলাফলে জয়ী হয়েছেন নৌকা প্রতীকের প্রার্থী মাহবুব উর রহমান রুহেল। তিনি পেয়েছেন ৮৯ হাজার ৬৪ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ঈগল প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী গিয়াস উদ্দিন পেয়েছেন ৫২ হাজার ৯৯৫ ভোট।

লালমনিরহাট-১ আসনে নৌকা প্রতীকের প্রার্থী মোতাহার হোসেন ৮৯ হাজার ৯০৩ ভোট পেয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ঈগল প্রতীকের প্রার্থী আতাউর রহমান প্রধান পেয়েছেন ৭৪ হাজার ৩২ ভোট পান।

লালমনিরহাট-২ আসনে নৌকার প্রার্থী সমাজকল্যাণ মন্ত্রী নুরুজ্জামান আহমেদ পেয়েছেন ৯৭ হাজার ২৪০ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ঈগল প্রতীকের প্রার্থীর সিরাজুল হক পেয়েছেন ৫০ হাজার ৫০০ ভোট।

লালমনিরহাট-৩ আসনে নৌকার প্রার্থী মতিয়ার রহমান পেয়েছেন ৭৬ হাজার ৪০১ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ঈগল প্রতীকের প্রার্থী জাবেদ হোসেন পেয়েছেন ১২ হাজার ৮০ ভোট।

যশোর-১ (শার্শা) আসনে বেসরকারিভাবে ফলাফলে জয়ী হয়েছেন নৌকা প্রতীকের প্রার্থী শেখ আফিল উদ্দিন। এক লাখ পাঁচ হাজার ৪৬৬ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন তিনি। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ট্রাক প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী আশরাফুল আলম লিটন। তিনি পেয়েছেন ১৯ হাজার ৪৭৭ ভোট।

কিশোরগঞ্জ-৬ (ভৈরব-কুলিয়ারচর) আসনে নৌকা প্রতীকে আওয়ামী লীগের প্রার্থী নাজমুল হাসান পাপন বেসরকারি ফলাফলে বিজয়ী হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন এক লাখ ৯৮ হাজার ১৫৫ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের হাজি রুবেল তিন হাজার ২০৬ ভোট পেয়েছেন। জাতীয় পার্টির লাঙ্গল প্রতীকের নুরুল কাদের সোহেল পেয়েছেন তিন হাজার ৫৬ ও স্বতন্ত্র আব্দুস সাত্তার (ঈগল) পেয়েছেন দুই হাজার ৪৬৯ ভোট।

বরিশাল-৫ আসনে ১৭৬টি কেন্দ্রের বেসরকারি ফলাফলে জয়ী হয়েছেন নৌকা প্রতীকের প্রার্থী কর্নেল অব জাহিদ ফারুক শামীম। তিনি ৯৭ হাজার ৭০৬ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ট্রাক প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী সালাউদ্দিন রিপন। তিনি পেয়েছেন ৩৫ হাজার ৩৭০ ভোট।

কিশোরগঞ্জ-১ (সদর-হোসেনপুর) আসনে বেসরকারি ফলাফলে বড় ভাইকে হারিয়ে জয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগ দলীয় প্রার্থী ডা. সৈয়দ জাকির নূর লিপি। তিনি নৌকা প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৭৬ হাজার ৭৬২ ভোট। লিপির নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ঈগল প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী মেজর (অব) সৈয়দ সাফায়েতুল ইসলাম পেয়েছেন ৭৩ হাজার ৯৯৮ ভোট।

ঠাকুরগাঁও-২ আসনে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মনোনীত নৌকা প্রতীকের প্রার্থী মো. মাজহারুল ইসলাম সুজন। মোট ১০৪টি ভোট কেন্দ্রের প্রাপ্ত ফলাফলে মাজহারুল ইসলাম সুজন নৌকা প্রতীক নিয়ে ১ লাখ ১৫ হাজার ৬১ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী আলী আসলাম জুয়েল ট্রাক প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৫৫ হাজার ২শ ৩৪ ভোট।

সাতক্ষীরা-২ আসনে জাতীয় পার্টি মনোনীত প্রার্থী আশরাফুজ্জামান আশু বিপুল ভোটে বিজয়ী হয়েছেন। লাঙ্গল প্রতীক নিয়ে তিনি পেয়েছেন ৮৮ হাজার ৩৫৭ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী ও বর্তমান সংসদ সদস্য মীর মোস্তাক আহমেদ রবি ঈগল প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ২৭ হাজার ৪৪৭ ভোট।

নওগাঁ-৬ (রানীনগর-আত্রাই) আসনে বেসরকারিভাবে জয়ী হয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী ওমর ফারুক সুমন। তিনি ট্রাক প্রতীকে ৭৬ হাজার ৭১৭ ভোট পেয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকা প্রতীকের প্রার্থী আনোয়ার হোসেন হেলাল পেয়েছেন ৬৯ হাজার ৯৭১ ভোট।

হবিগঞ্জ-৪ (মাধবপুর-চুনারুঘাট) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী ব‍্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন ঈগল প্রতীকে বিজয়ী হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন এক লাখ ৬৯ হাজার ৯৯ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী নৌকা প্রতীকের প্রার্থী বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী অ‍্যাডভোকেট মো. মাহবুব আলী পেয়েছেন ৬৯ হাজার ৫৪৩ ভোট। অর্থাৎ ৯৯ হাজার ৫৫৬ ভোট বেশি পেয়েছেন ব্যারিস্টার সুমন।

নওগাঁ-৩ (মহাদেবপুর-বদলগাছী) আসনে ১ লাখ ৩৮ হাজার ৫৬১ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে জয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকা প্রতীকের প্রার্থী সাবেক সিনিয়র সচিব সৌরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী ছলিম উদ্দীন তরফদার ট্রাক প্রতীকে পেয়েছেন ৬০ হাজার ৫১ ভোট।

নওগাঁ-৪ (মান্দা) আসনে ৮৫ হাজার ১৮০ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে জয়ী হয়েছেন ট্রাক প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী এস এম ব্রহানী সুলতান মামুদ গামা। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকা প্রতীকের প্রার্থী নাহিদ মোর্শেদ পেয়েছেন ৬২ হাজার ১৩২ ভোট।

মাদারীপুর-১ আসনে বেসরকারিভাবে বিপুল ভোটে নির্বাচিত হয়েছেন নৌকার প্রার্থী নূর-ই-আলম চৌধুরী। তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৯৬ হাজার ৭৩১ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী লাঙ্গল প্রতীকের মোতাহার হোসেন চৌধুরী সিদ্দিক পেয়েছেন মাত্র ১ হাজার ৮২৬ ভোট।

নারায়ণগঞ্জ-২ আসনে বেসরকারি ফলাফলে জয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীকের প্রার্থী নজরুল ইসলাম বাবু। তিনি এক লাখ ৬৮ হাজার ২৪২ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জাতীয় পার্টির লাঙ্গল প্রতীকের প্রার্থী আলমগীর সিকদার লোটন। তিনি পেয়েছেন সাত হাজার ২৫৬ ভোট।

ভোলা-৩ (লালমোহন ও তজুমদ্দিন) আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী নৌকা প্রতীক নিয়ে নূরুন্নবী চৌধুরী শাওন ১ লাখ ৭১ হাজার ৯২৭ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী জসিম উদ্দিন (ঈগল) প্রতীক নিয়ে ভোট পেয়েছেন ১৭ হাজার ৮৮৬ ভোট। এছাড়াও জাতীয় পার্টির লাঙ্গল প্রতীকের প্রার্থী মো. কামাল উদ্দিন ১ হাজার ৬৫৩ ভোট ও কংগ্রেস প্রার্থী ডাব প্রতীক নিয়ে মোঃ আলমগীর পেয়েছেন ১ হাজার ৫১১ ভোট।

চট্টগ্রাম-৯ (কোতোয়ালী-বাকলিয়া) আসনে নৌকার প্রার্থী শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী ১ লাখ ৩০ হাজার ৯৯৩ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জাতীয় পার্টির লাঙ্গল প্রতীকের ব্যারিস্টার সানজিদ রশিদ চৌধুরী পেয়েছেন ১ হাজার ৯৮২ ভোট।

খাগড়াছড়ি আসনে বেসরকারি ফলাফলে হ্যাটট্রিক জয় পেয়েছেন আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকা প্রতীকের প্রার্থী কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা। তিনি ২ লাখ ২০ হাজার ৮১৬ ভোট পেয়ে জয়ী হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জাতীয় পার্টির মনোনীত লাঙ্গল প্রতীকের প্রার্থী মিথিলা রোয়াজা। তিনি পেয়েছেন ১০ হাজার ৯’শ ৩৮ ভোট।

মাদারীপুর-২ আসনে বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে। এ ফলাফলে জয়ী হয়েছেন নৌকা প্রতীকের প্রার্থী শাজাহান খান। তিনি ২ লাখ ২৩ হাজার ৫১৮ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী লাঙ্গল প্রতীকের প্রার্থী এ কে এম নুরুজ্জামান। তিনি পেয়েছেন ৩ হাজার ৪১৫ ভোট।

ঢাকা-১৬ আসনে জয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগের প্রার্থী ইলিয়াস উদ্দিন মোল্লা। এ আসলে তিনি নৌকা প্রতীক নিয়ে ভোট পেয়েছেন ৬৫ হাজার ৬৩১টি। ঈগল প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী সালাউদ্দিন রবিন পেয়েছেন ছয় হাজার ৩১৪ ভোট। আর জাতীয় পার্টির প্রার্থী আমানত হোসেন লাঙ্গল প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন দুই হাজার ৩৪৮ ভোট।

খুলনা-১ আসনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী ননী গোপাল মণ্ডল বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি মোট ১ লাখ ৪২ হাজার ৫১৮ ভোট পেয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ঈগল প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী প্রশান্ত রায় পেয়েছেন ৫ হাজার ২৬২ ভোট। তিনি দ্বিতীয়বারের মতো এমপি নির্বাচিত হলেন।

নাটোর-৪ (গুরুদাসপুর-বড়াইগ্রাম) আসনে নৌকা প্রতীক নিয়ে ডা. সিদ্দিকুর রহমান পাটোয়ারী ভোট পেয়েছেন ১ লাখ ১৩ হাজার ৫৮২টি এবং ট্রাক প্রতীকে স্বতন্ত্র প্রার্থী আসিফ আব্দুল্লাহ বিন কুদ্দুস শোভন পেয়েছেন ৯০ হাজার ৭৪৮টি ভোট।

সুনামগঞ্জ -২ আসনে (দিরাই ও শাল্লা) জয় পেয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী জয়া সেন গুপ্তা। কাঁচি প্রতীক নিয়ে তিনি ৬৭ হাজার ৭৭৫ ভোট পেয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের প্রার্থী চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মাহমুদ পেয়েছেন ৫৮হাজার ৬৭২ভোট।

সুনামগঞ্জ -৫ আসনে (ছাতক–দোয়ারাবাজার) নৌকার প্রার্থী মুহিবুর রহমান এক লাখ ১৯ হাজার ৪০৩ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী শামিম আহমদ চৌধুরী ৯১ হাজার ৮৮৮ ভোট পেয়েছেন।

মৌলভীবাজার-১ (বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলা) আসনে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক মন্ত্রী মো. শাহাব উদ্দিন ষষ্ঠবারের মতো নির্বাচিত হয়েছেন। শাহাব উদ্দিন ১ লাখ ৩৬ হাজার ৩০৮ ভোট পেয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী নির্বাচন থেকে আগেই সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দেওয়া জাতীয় পার্টির (জাপা) প্রার্থী আহমেদ রিয়াজ উদ্দিন লাঙ্গল প্রতীকে পেয়েছেন ৩ হাজার ৯৮ ভোট।

ঝালকাঠি -১ ( রাজাপুর-কাঠালিয়া) আসনে আওয়ামী লীগ প্রার্থী মুহাম্মদ শাহজাহান ওমর ৯৫ হাজার ৪৭৮ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জাকের পার্টির আবু বকর সিদ্দিক পেয়েছেন এক হাজার ৬২৪ ভোট।

গোপালগঞ্জ-১ আসনে জয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগের প্রার্থী মুহাম্মদ ফারুক খান। তিনি এক লাখ ১৮ হাজার ৭৫৯ ভোট পেয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী কাবির মিয়া (স্বতন্ত্র–ঈগল) ১ লাখ ৮ হাজর ৯৩৪ ভোট পেয়েছেন।

যশোর-৪ আসনে (অভয়নগর ও বাঘারপাড়া উপজেলা এবং সদর উপজেলার বসুন্দিয়া ইউনিয়ন) আওয়ামী লীগের প্রার্থী এনামুল হক বিজয়ী হয়েছেন। এনামুল পেয়েছেন এক লাখ ৮১ হাজার ২৯৫ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জাতীয় পার্টির (লাঙ্গল) জহুরুল হক পেয়েছেন ১০ হাজার ৩৪৬ ভোট।

পাবনা ৪ ( ঈশ্বরদী ও আটঘরিয়া) আসনে নৌকার প্রার্থী গালিবুর রহমান বিজয়ী হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন এক লাখ ৬৭ হাজার ৪৩ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী পাঞ্জাব আলী বিশ্বাস পেয়েছেন ১৪ হাজার ৬৬২ ভোট।

যশোর–৬ (কেশবপুর) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী আজিজুল ইসলাম নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি ভোট পেয়েছেন ৪৮ হাজার ৯৪৭টি । তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীকের শাহীন চাকলাদার ৩৯ হাজার ২৬৯ ভোট পেয়েছেন।

গোপালগঞ্জ-২ আসনে আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম (নৌকা) ২ লাখ ৯৫ হাজার ২৯৪ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দী কাজী শাহীন (লাঙ্গল) ১ হাজার ৫১৪ ভোট পেয়েছেন।

দিনাজপুর-৬ (বিরামপুর, নবাবগঞ্জ, ঘোড়াঘাট ও হাকিমপুর) আসনে টানা তৃতীয়বারের মতো জয়ী হলেন শিবলী সাদিক। নৌকার প্রার্থী শিবলী সাদিক এক লাখ ৮২ হাজার ৬৬৭ ভোট পেয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী আজিজুল হক চৌধুরী ট্রাক প্রতীকে পেয়েছেন ৮২ হাজার ৫১৫ ভোট।

বাগেরহাট-২ (সদর ও কচুয়া) আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী শেখ তন্ময় দ্বিতীয়বারের মত বিজয়ী হয়েছেন। শেখ তন্ময় পেয়েছেন এক লাখ ৮২ হাজার ৩১৮ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দী জাতীয় পার্টির হাজরা শহিদুল ইসলাম ৪ হাজার ১৭৪ ভোট পেয়েছেন।

রাজশাহী-৪ (বাগমারা) আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী আবুল কালাম আজাদ বেসরকারি ভাবে সংসদসদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি ভোট পেয়েছেন এক লাখ সাত হাজার ৯৮৩ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী এনামুল হক পেয়েছেন ৫৩ হাজার ৮১২ ভোট।

শেরপুর-১ (সদর) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. ছানুয়ার হোসেন এক লাখ ৩৬ হাজার ৯৩ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রার্থী আতিউর রহমান আতিক (নৌকা), ৯৩ হাজার ৩৭ ভোট পেয়েছেন।

সর্বশেষ খবর এবং আপডেটের জন্য আমাদের সাবস্ক্রাইব করুন। আপনি যেকোনো সময় বন্ধ করতে পারবেন।

Loading...

আমরা কুকি ব্যবহার করি যাতে অনলাইনে আপনার বিচরণ স্বচ্ছন্দ হয়। সবগুলো কুকি ব্যবহারের জন্য আপনি সম্মতি দিচ্ছেন কিনা জানান। হ্যাঁ, আমি সম্মতি দিচ্ছি। বিস্তারিত