সব খবর সবার আগে
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

চট্টগ্রাম বিভাগ

তিন পার্বত্য জেলার ঝাড়ু যাচ্ছে বিদেশে

ঘরবাড়ী পরিস্কার পরিচ্ছন্ন করার কাজে তিন পার্বত্য জেলায় প্রাকৃতিকভাবে জন্মানো ঝাড়ু ফুলের বিকল্প নেই। গ্রামগঞ্জ থেকে শহর, বিদেশে প্রতিটি ঘরেই এই ফুলের রয়েছে কদর।

0 146

পার্বত্য জেলার বিভিন্ন এলাকার পাহাড়ের ঢালে প্রাকৃতিকভাবে জন্মানো ঝাড়ু ফুল স্থানীয়দের চাহিদা মিটিয়ে এখন যাচ্ছে দেশের বাইরে বিভিন্ন স্থানে। ঝাড়ুফুল সংগ্রহ ও বিক্রি করে বাড়তি উপার্জন করছেন স্থানীয় অনেকে। এই নিয়ে ভাগ্য বদল হয় বহু জনের। বছরের একটা নির্দিষ্ট সময় স্থানীয় মানুষ পাহাড়ি ঝাড়ু ফুলের জন্য অনেকে অপেক্ষার প্রহর গুনেন।

পাহাড়ের পতিত জমি থেকে নারী-পুরুষ এসব ঝাড়ু ফুল সংগ্রহ করে থাকেন। কাঁচা অবস্থায় এই ঝাড়ু ফুলের ৪-৫ ফুট দৈর্ঘ্যের শলাকা কেটে এক জায়গায় জড়ো করা হয়। শুকানোর পর ১২-১৫টি শলাকা বেঁধে বানানো হয় ছোট ছোট আঁটি। আবার ছোট ছোট এ ধরণের ৫০-৬০টি আঁটি দিয়ে বাঁধা হয় এক একটি বোঁঝা দাম কত জানেন ৪০০/৫০০টাকার মত । এরপর ঐসব বোঝা বিক্রির জন্য নিয়ে আসা হয় রাস্তার মোড়ে অথবা স্থানীয় বাজারে পাইকারদের কাছে। পাইকারদের কাছে এসব ছোট আঁটি বিক্রি করা হয় ৮-১০ টাকায়।

২৮ শে জানুয়ারী বান্দরবান পুরাতন রাজবাড়ী মোড়ে, রবিবার – বুধবার হাট বসে কাঁচা ঝাড়ু ফুল বিক্রির দৃশ্য চোখে পড়ে। বাজারে বিক্রেতারা ঝাড়ু ফুলের পসরা সাজিয়ে বসেন। বিভিন্ন এলাকা থেকে পাইকারী ও খুচরা ক্রেতারা সেখানকার থেকেই সংগ্রহ করেন ঝাড়ুফুল।

স্খানীয়দের মতে, জেলা সদর ছাড়াও বিভিন্ন উপজেলার প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলে স্থানীয় খুচরা বিক্রেতাদের কাছ থেকেও পাইকাররা ভিন্ন ভিন্নদামে সংগ্রহ করে থাকেন গৃহস্থালি কাজের অন্যতম প্রয়োজনীয় এ ঝাড়ুফুল। এই শিল্পের পণ্য রপ্তানি করে অনেক টাকা মুনাফা হবে বলে আমার ধারণা এবং অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলছে এই ফুল। সংরক্ষণ করা গেলে পাহাড়ের অর্থনীতিতে এ পণ্যটি বিশেষ অবদান রাখতে পারবে বলে মনে করেন তারা।

সর্বশেষ খবর এবং আপডেটের জন্য আমাদের সাবস্ক্রাইব করুন। আপনি যেকোনো সময় বন্ধ করতে পারবেন।

Loading...

আমরা কুকি ব্যবহার করি যাতে অনলাইনে আপনার বিচরণ স্বচ্ছন্দ হয়। সবগুলো কুকি ব্যবহারের জন্য আপনি সম্মতি দিচ্ছেন কিনা জানান। হ্যাঁ, আমি সম্মতি দিচ্ছি। বিস্তারিত